The blogger tips.wapka.site
T  I  P  S 
Total (632)
 Prev6061626364Next  

Admin · 1 year ago

Members

Members

Admin · 1 year ago

All Messages and Members

 All Messages  and  Members  

Admin · 1 year ago

List of useful forums

Copy Contents 25650 
Reported Contents 25649 
Shared Contents 4086 
Mixed Contents 2688 
Admin Contents 2687

Admin · 1 year ago

Forums

Forums

Admin · 1 year ago

Folders

Folders

Admin · 1 year ago

WhatsApp numbers with Administrator

WhatsApp numbers with Administrator 


Call: +916909981832 

Call: +916909981832 

Message: +916909981832 

Admin · 1 year ago

Login

Admin · 1 year ago

Register

Islamic · 1 year ago

Surah Ghashiya Bangla Pronunciation

সূরা গাশিয়াহ বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ:- 
।সূরা গাশিয়াহ পবিত্র কোরআনের ৮৮ নম্বর সূরা। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ ও পবিত্র কোরআনের ৩০তম পারায় অবস্থিত। এর আয়াত সংখ্যা ২৬।


সূরা গাশিয়াহ

ہَلۡ اَتٰىکَ حَدِیۡثُ الۡغَاشِیَۃِ ؕ ١ وُجُوۡہٌ یَّوۡمَئِذٍ خَاشِعَۃٌ ۙ ٢ عَامِلَۃٌ نَّاصِبَۃٌ ۙ ٣ تَصۡلٰی نَارًا حَامِیَۃً ۙ ٤ تُسۡقٰی مِنۡ عَیۡنٍ اٰنِیَۃٍ ؕ ٥ لَیۡسَ لَہُمۡ طَعَامٌ اِلَّا مِنۡ ضَرِیۡعٍ ۙ ٦ لَّا یُسۡمِنُ وَلَا یُغۡنِیۡ مِنۡ جُوۡعٍ ؕ ٧ وُجُوۡہٌ یَّوۡمَئِذٍ نَّاعِمَۃٌ ۙ ٨ لِّسَعۡیِہَا رَاضِیَۃٌ ۙ ٩ فِیۡ جَنَّۃٍ عَالِیَۃٍ ۙ ١۰ لَّا تَسۡمَعُ فِیۡہَا لَاغِیَۃً ؕ ١١ فِیۡہَا عَیۡنٌ جَارِیَۃٌ ۘ ١٢ فِیۡہَا سُرُرٌ مَّرۡفُوۡعَۃٌ ۙ ١٣ وَّاَکۡوَابٌ مَّوۡضُوۡعَۃٌ ۙ ١٤ وَّنَمَارِقُ مَصۡفُوۡفَۃٌ ۙ ١٥ وَّزَرَابِیُّ مَبۡثُوۡثَۃٌ ؕ ١٦ اَفَلَا یَنۡظُرُوۡنَ اِلَی الۡاِبِلِ کَیۡفَ خُلِقَتۡ ٝ ١٧ وَاِلَی السَّمَآءِ کَیۡفَ رُفِعَتۡ ٝ ١٨ وَاِلَی الۡجِبَالِ کَیۡفَ نُصِبَتۡ ٝ ١٩ وَاِلَی الۡاَرۡضِ کَیۡفَ سُطِحَتۡ ٝ ٢۰ فَذَکِّرۡ ۟ؕ  اِنَّمَاۤ اَنۡتَ مُذَکِّرٌ ؕ ٢١ لَسۡتَ عَلَیۡہِمۡ بِمُصَۜیۡطِرٍ ۙ ٢٢ اِلَّا مَنۡ تَوَلّٰی وَکَفَرَ ۙ ٢٣ فَیُعَذِّبُہُ اللّٰہُ الۡعَذَابَ الۡاَکۡبَرَ ؕ ٢٤ اِنَّ اِلَیۡنَاۤ اِیَابَہُمۡ ۙ ٢٥ ثُمَّ اِنَّ عَلَیۡنَا حِسَابَہُمۡ ٪ ٢٦


সূরা গাশিয়াহ বাংলা উচ্চারণ : 

১. হাল আতা-কা হাদীছুল গা-শিয়াহ।
২. উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিন খা-শি‘আহ।
৩. আ-মিলাতুন না-সিবাহ।
৪. তাসলা-না-রান হা-মিয়াহ।
৫. তুছকা-মিন ‘আইনিন আ-নিয়াহ।
৬.লাইছা লাহুম তা‘আ-মুন ইল্লা-মিন দারী‘ই।
৭. লা-ইউছমিনু-ওয়ালা-ইউগনী মিন জু‘ই।
৮. উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিন না-‘ইমাহ।
৯. লিছা‘ইহা-রা-দিয়াহ।
১০. ফী জান্নাতিন ‘আ-লিয়াহ।
১১.লা-তাছমা‘উ ফীহা-লা-গিয়াহ।
১২. ফীহা-‘আইনুন জা-রিয়াহ।
১৩. ফীহা-ছুরুরুম-মারফূ‘আহ।
১৪.ওয়া আক-ওয়া-বুম মাওদূ‘আহ।
১৫.ওয়া-নামা-রিকুমাসফূফাহ।
১৬. ওয়া ঝারা-বিইয়ু-মাবছূছাহ।
১৭. আফালা-ইয়ান-জুরুনা ইলাল ইবিলি কাইফা খুলিকাত।
১৮.ওয়া ইলাছ ছামাই কাইফা রুফি‘আত।
১৯. ওয়া ইলাল জিবা-লি কাইফা নুসিবাত।
২০.ওয়া ইলাল আরদি কাইফা ছুতিহাত।
২১. ফাযাক্কির ইন্নামা-আনতা মুযাক্কির।
২২. লাছাতা ‘আলইহিম বিমুসাইতির।
২৩. ইল্লা-মান তাওয়াল্লা-ওয়া কাফার।
২৪. ফা-ইউ‘আযযিবুহুল্লা-হুল ‘আযা-বাল আকবার।
২৫.ইন্না ইলাইনাইয়া-বাহুম।
২৬. ছু ম্মা ইন্না ‘আলাইনা-হিছা-বাহুম।


সূরা গাশিয়াহ বাংলা অর্থ : 

তোমার কাছে কি পৌঁছেছে সেই ঘটনার সংবাদ, যা সবকিছুকে আচ্ছন্ন করবে? সে দিন বহু চেহারা থাকবে অবনত। বিপর্যস্ত, ক্লান্ত। তারা প্রবেশ করবে জ্বলন্ত আগুনে। তাদেরকে টগবগে গরম প্রস্রবণ হতে পানি পান করানো হবে। তাদের জন্য কণ্টকিত গুল্ম ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না। যা তাদের পুষ্টি যোগাবে না এবং তাদের ক্ষুধাও মিটাবে না।

সে দিন বহু চেহারা থাকবে সজীব। (দুনিয়ায়) নিজেদের কৃত শ্রমের কারণে সন্তুষ্ট।তারা থাকবে আলিশান জান্নাতে। যেখানে তারা কোন নিরর্থক কথা শুনবে না। সে জান্নাতে থাকবে বহমান প্রস্রবণ। তাতে উঁচু-উঁচু আসন থাকবে। সামনে রাখা থাকবে পান-পাত্র। এবং সারি-সারি নরম বালিশ। এবং বিছানো গালিচা।

তবে কি তারা লক্ষ করে না উটের প্রতি, কিভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে। এবং আকাশের প্রতি, কিভাবে তাকে উঁচু করা হয়েছে? এবং পাহাড়সমূহের প্রতি, কিভাবে তাকে প্রোথিত করা হয়েছে? এবং ভূমির প্রতি, কিভাবে তা বিছানো হয়েছে?

সুতরাং (হে রাসূল!) তুমি উপদেশ দিতে থাক, তুমি তো একজন উপদেশদাতাই। তোমাকে তাদের উপর জবরদস্তি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। 

তবে কেউ মুখ ফিরিয়ে নিলে ও কুফর অবলম্বন করলে, আল্লাহ তাকে মহা শাস্তি দান করবেন। নিশ্চয়ই তাদের সকলকে আমারই কাছে ফিরে আসতে হবে। অতঃপর তাদের হিসাব গ্রহণ অবশ্যই আমার দায়িত্ব। (১-২৬)

Islamic · 1 year ago

Surah Fajr Bangla Pronunciation

সূরা ফাজরের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ:- 
সূরা ফাজর পবিত্র কোরআনের ৮৯ নম্বর সূরা। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ ও কোরআনের ত্রিশতম পারায় অবস্থিত। এর আয়াত সংখ্যা ৩০। এই সূরার শুরুতে আল্লাহ তায়ালা পাঁচটি জিনিসের শপথ গ্রহণ করেছেন। এরপর আল্লাহর সঙ্গে আদ, সামুদ জাতি ও ফেরাউনের অবাধ্যতা ও তার পরিণতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 


সূরা ফাজর 

وَالۡفَجۡرِ ۙ ١ وَلَیَالٍ عَشۡرٍ ۙ ٢ وَّالشَّفۡعِ وَالۡوَتۡرِ ۙ ٣ وَالَّیۡلِ اِذَا یَسۡرِ ۚ ٤ ہَلۡ فِیۡ ذٰلِکَ قَسَمٌ لِّذِیۡ حِجۡرٍ ؕ ٥ اَلَمۡ تَرَ کَیۡفَ فَعَلَ رَبُّکَ بِعَادٍ ۪ۙ ٦ اِرَمَ ذَاتِ الۡعِمَادِ ۪ۙ ٧ الَّتِیۡ لَمۡ یُخۡلَقۡ مِثۡلُہَا فِی الۡبِلَادِ ۪ۙ ٨ وَثَمُوۡدَ الَّذِیۡنَ جَابُوا الصَّخۡرَ بِالۡوَادِ ۪ۙ ٩ وَفِرۡعَوۡنَ ذِی الۡاَوۡتَادِ ۪ۙ ١۰ الَّذِیۡنَ طَغَوۡا فِی الۡبِلَادِ ۪ۙ ١١ فَاَکۡثَرُوۡا فِیۡہَا الۡفَسَادَ ۪ۙ ١٢ فَصَبَّ عَلَیۡہِمۡ رَبُّکَ سَوۡطَ عَذَابٍ ۚۙ ١٣ اِنَّ رَبَّکَ لَبِالۡمِرۡصَادِ ؕ ١٤ فَاَمَّا الۡاِنۡسَانُ اِذَا مَا ابۡتَلٰىہُ رَبُّہٗ فَاَکۡرَمَہٗ وَنَعَّمَہٗ ۬ۙ  فَیَقُوۡلُ رَبِّیۡۤ اَکۡرَمَنِ ؕ ١٥ وَاَمَّاۤ اِذَا مَا ابۡتَلٰىہُ فَقَدَرَ عَلَیۡہِ رِزۡقَہٗ ۬ۙ  فَیَقُوۡلُ رَبِّیۡۤ اَہَانَنِ ۚ ١٦ کَلَّا بَلۡ لَّا تُکۡرِمُوۡنَ الۡیَتِیۡمَ ۙ ١٧ وَلَا تَحٰٓضُّوۡنَ عَلٰی طَعَامِ الۡمِسۡکِیۡنِ ۙ ١٨ وَتَاۡکُلُوۡنَ التُّرَاثَ اَکۡلًا لَّمًّا ۙ ١٩ وَّتُحِبُّوۡنَ الۡمَالَ حُبًّا جَمًّا ؕ ٢۰ کَلَّاۤ اِذَا دُکَّتِ الۡاَرۡضُ دَکًّا دَکًّا ۙ ٢١ وَّجَآءَ رَبُّکَ وَالۡمَلَکُ صَفًّا صَفًّا ۚ ٢٢ وَجِایۡٓءَ یَوۡمَئِذٍۭ بِجَہَنَّمَ ۬ۙ  یَوۡمَئِذٍ یَّتَذَکَّرُ الۡاِنۡسَانُ وَاَنّٰی لَہُ الذِّکۡرٰی ؕ ٢٣ یَقُوۡلُ یٰلَیۡتَنِیۡ قَدَّمۡتُ لِحَیَاتِیۡ ۚ ٢٤ فَیَوۡمَئِذٍ لَّا یُعَذِّبُ عَذَابَہٗۤ اَحَدٌ ۙ ٢٥ وَّلَا یُوۡثِقُ وَثَاقَہٗۤ اَحَدٌ ؕ ٢٦ یٰۤاَیَّتُہَا النَّفۡسُ الۡمُطۡمَئِنَّۃُ ٭ۖ ٢٧ ارۡجِعِیۡۤ اِلٰی رَبِّکِ رَاضِیَۃً مَّرۡضِیَّۃً ۚ ٢٨ فَادۡخُلِیۡ فِیۡ عِبٰدِیۡ ۙ ٢٩ وَادۡخُلِیۡ جَنَّتِیۡ ٪ ٣۰


সূরা ফাজরের বাংলা উচ্চারণ : 

১. ওয়াল ফাজর।
২. ওয়া লায়া-লিন আশর।
৩. ওয়াশ-শাফা-ই ওয়াল ওয়াতর।
৪. ওয়াল্লাইলি ইযাইয়াছর।
৫. হাল ফী যা-লিকা কাছামুল লিযী হিজর।
৬.আলাম তারা কাইফা ফা‘আলা রাব্বুকা বি‘আ-দ।
৭. ইরামা যা-তিল ‘ইমা-দ।
৮.আল্লাতী লাম ইউখ-লাক-মিছলুহা-ফিল বিলা-দ।
৯. ওয়া ছামূদাল্লাযীনা জা-বুসসাখরা বিল ওয়া-দ।
১০. ওয়া ফির‘আউনা যীল আওতা-দ।
১১.আল্লাযীনা তাগাও ফিল বিলা-দ।
১২. ফা-আকছারূ ফীহাল ফাছা-দ।
১৩. ফাসাব্বা আলাইহিম রাব্বুকা ছাওতা ‘আযা-ব।
১৪. ইন্না রাব্বাকা লাবিলমিরসা-দ।
১৫. ফাআম্মাল ইনছা-নু-ইযা-মাবতালা-হু রাব্বুহু ফাআকরামাহূ-ওয়া না‘আমাহূ ফাইয়াকূলু রাববী-আকরামান।
১৬.ওয়া-আম্মা-ইযা-মাবতালা-হু ফাকাদারা ‘আলাইহি রিঝকাহূ ফা-ইয়াকূলু-রাববী আহা-নান।
১৭. কাল্লা-বাল্লা-তুকরিমূনাল ইয়াতীম।
১৮.ওয়া লা-তাহাদ্দূ না ‘আলা-তা‘আ-মিল মিছকীন।
১৯.ওয়া তা’কুলূনাত তুরা-ছা আকলাল্লাম্মা।
২০. ওয়া তুহিব্বুনাল মা-লা হুব্বান জাম্মা।
২১. কাল্লা-ইযা-দুক্কাতিল আরদু-দাক্কান দাক্কা।
২২. ওয়া জাআ রাব্বুকা ওয়াল মালাকু-সাফফান সাফফা।
২৩. ওয়া জীআ ইয়াওমাইযিম বিজাহান্নাম, ইয়াওমা-ইযিইঁ ইয়াতা-যাক্কারুল ইনছানু-ওয়া আন্না-লাহুযযিকরা।
২৪. ইয়া-কূলুইয়া-লাইতানী কাদ্দামতুলিহায়া-তী।
২৫. ফাইয়াওমা-ইযিল লা-ইউ‘আযযি বু‘আযা-বাহূ-আহাদ।
২৬.ওয়ালা-ইঊছিকু-ওয়াছা-কাহূআহাদ।
২৭. ইয়া-আইয়াতু-হান্নাফছুল মুতমাইন্নাহ।
২৮.ইর-জি‘ঈইলা-রাব্বিকি রা-দিয়াতাম মারদিইয়াহ।
২৯. ফাদখুলী ফী ‘ইবা-দী।
৩০. ওয়াদখুলী জান্নাতী।


সূরা ফাজরের বাংলা অর্থ : 

শপথ ফজর-কালের। এবং দশ রাতের। এবং জোড় ও বেজোড়ের। এবং রাতের, যখন তা গত হতে শুরু করে (আখেরাতের শাস্তি ও পুরস্কার অবশ্যম্ভাবী)। একজন বোধসম্পন্ন ব্যক্তির (বিশ্বাস আনয়নের) জন্য এসব শপথ যথেষ্ট নয় কি? তুমি কি দেখনি তোমার প্রতিপালক আদ (জাতি)-এর প্রতি কী আচরণ করেছেন? ইরাম সম্প্রদায়ের প্রতি, যারা উঁচু উঁচু স্তম্ভের অধিকারী ছিল। যাদের সমান পৃথিবীতে আর কোন জাতিকে সৃষ্টি করা হয়নি? এবং (কী আচরণ করেছেন) ছামুদ (জাতি)-এর প্রতি, যারা উপত্যকায় বড়-বড় পাথর কেটে ফেলেছিল? এবং (কী আচরণ করেছেন) পেরেকওয়ালা ফিরাউনের প্রতি?

যারা দেশে-দেশে অবাধ্যতা প্রদর্শন করেছিল। এবং তাতে ব্যাপক অশান্তি বিস্তার করেছিল। ফলে তোমার প্রতিপালক তাদের উপর শাস্তির কষাঘাত হানলেন। নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক সকলের উপর সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন। 

কিন্তু মানুষের অবস্থা তো এই যে, যখন তার প্রতিপালক তাকে পরীক্ষা করেন এবং তাকে মর্যাদা ও অনুগ্রহ দান করেন তখন সে বলে, আমার প্রতিপালক আমাকে সম্মানিত করেছেন। এবং অপর দিকে যখন তাকে পরীক্ষা করেন এবং তার জীবিকা সঙ্কুচিত করে দেন, তখন সে বলে, আমার প্রতিপালক আমাকে অমর্যাদা করেছেন। কখনও এরূপ সমীচীন নয়। (কেবল এতটুকুই নয়;) বরং তোমরা ইয়াতীমকে সম্মান করো না। এবং মিসকীনদেরকে খাবার খাওয়ানোর জন্য একে অন্যকে উৎসাহিত করো না। এবং মীরাছের সম্পদ সম্পূর্ণরূপে গ্রাস করে থাক। এবং ধন-সম্পদকে সীমাতিরিক্ত ভালোবাস। 

কিছুতেই এরূপ সমীচীন নয়। যখন পৃথিবীকে পিষে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলা হবে। কিছুতেই এরূপ সমীচীন নয়। যখন পৃথিবীকে পিষে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলা হবে। সে দিন জাহান্নামকে সামনে আনা হবে। সে দিন মানুষ বুঝতে পারবে, কিন্তু সেই সময় বুঝে আসার দ্বারা তার কী ফায়দা? সে বলবে, হায়! আমি যদি আমার এই জীবনের জন্য কিছু অগ্রিম পাঠাতাম? সে দিন আল্লাহর শাস্তির মতো শাস্তি কেউ দিতে পারবে না। এবং তাঁর বাঁধার মত বাঁধতেও কেউ পারবে না। 

(অবশ্য নেককারদেরকে বলা হবে,) হে (আল্লাহর ইবাদতে) প্রশান্তি লাভকারী চিত্ত! নিজ প্রতিপালকের দিকে ফিরে আস সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে।এবং আমার (নেক) বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও। আর দাখিল হয়ে যাও আমার জান্নাতে। (সূরা ফাজর, আয়াত : ১-৩০)
 Prev366367368369370371372...601Next  
Blogger Files Members Messages
Tips
Login
HELP CENTER :-: GO TO TOP
tips.wapka.site
Copyright © 2026 All Rights Reserved
Powered by wapka.org