The site tips.wapka.site
T  I  P  S 
27504

Motishon · 8 months ago

আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল

মানুষ শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে অন্যায় করে ফেলে। পাপ কর্ম করে বসে। তখন যদি সে অনুতপ্ত হয়, ভুল স্বীকার করে, পাপ কাজ থেকে ফিরে আসে এবং আল্লাহ তায়ালার কাছে আস্তরিকভাবে ক্ষমা চায়, তাহলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, আল্লাহর অনুগ্রহ হতে নিরাশ হইও না। আল্লাহ্ সব পাপ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।' (সুরা যুমার, আয়াত: ৫৩)

আমাদের ভুল হলে সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চাইব। আল্লাহ আমাদের মাক করে দেবেন। এরপর আমরা সাবধান থাকব, যেন আর কোনো ভুল না হয় ।

Motishon · 8 months ago

যেভাবে ক্ষমা চাইলে সব অপরাধ মাফ হয়

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। তিনি গাফুরুর রাহিম, পরম ক্ষমাশীল। অতি দয়ালু। তিনি ভুলত্রুটি, পাপতাপ, যাবতীয় অপরাধ ক্ষমা করেন। দয়া ও করুণা বর্ষণ করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বান্দাকে নানাভাবে পরীক্ষা করেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা, সম্পদহানি, প্রাণহানি ও ফসলের ক্ষতির মাধ্যমে; তুমি সুসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদের। যারা তাদের প্রতি মুসিবত আপতিত হলে বলে, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ (‘নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই এবং আমরা তাঁর কাছেই ফিরে যাব।’ তাদের প্রতি তাদের রবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও রহমত এবং তারাই হেদায়াতপ্রাপ্ত (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৫৫-১৫৭)।’

বান্দা যখন আল্লাহর দ্বারস্থ হয়, তখন তিনি ক্ষমা ও দয়ার কুদরতি হাত প্রসারিত করেন। বান্দা ইস্তেগফার করলে আল্লাহ আজাব দেন না। কোরআনের বর্ণনা, ‘আপনি তাদের মাঝে থাকা অবস্থায় আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন না এবং তারা ক্ষমা প্রার্থনা করলে তখনো আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন না (সুরা-৮ আনফাল, আয়াত: ৩৩)।’

Motishon · 8 months ago

সব ক্ষমতার একমাত্র মালিক আল্লাহ

সৃষ্টিকুলের একমাত্র মালিক। তারই হুকুমে সবকিছু পরিচালিত হয়। কুরআনে মহান রব স্পষ্টভাবে বলেছেন-‘বলুন, হে আল্লাহ! বিশ্বজাহানের মালিক! তুমি যাকে চাও রাষ্ট্রক্ষমতা দান কর এবং যার থেকে চাও রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনিয়ে নাও। যাকে চাও মর্যাদা ও ইজ্জত দান কর এবং যাকে চাও লাঞ্ছিত ও হেয় কর। কল্যাণ তোমার হাতেই নিহিত। নিঃসন্দেহে তুমি সব কিছুর ওপর শক্তিশালী।’ (সূরা : আল ইমরান, আয়াত : ২৬)।

অন্য আয়াতে তিনি বলেন-‘তিনিই আল্লাহ। যিনি আকাশমণ্ডলীকে উঁচুতে স্থাপন করেছেন স্তম্ভ ছাড়া, যা তোমরা দেখতে পাও। অতঃপর তিনি আরশে ‘ইসতিওয়া’ গ্রহণ করেন। সূর্য এবং চাঁদকে নিয়োজিত রেখেছেন বিশেষ কাজে। প্রতিটি বস্তু এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত আবর্তন করে। তিনি যাবতীয় বিষয় নিয়ন্ত্রণ করেন। তিনি এসব নিদর্শন সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাস করতে পার, (একদিন) তোমাদের স্বীয় প্রতিপালকের কাছে উপস্থিত হতে হবে।’ (সূরা : রা’দ, আয়াত : ০২)।

মহান রব নিজেই নিজের পরিচয় তুলে ধরেছেন ঠিক এভাবেই-‘তিনিই আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনি চিরঞ্জীব। সর্বস্বত্বার ধারক। তাকে তন্দ্রা বা নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব তারই। কে আছে যে, তার অনুমতি ছাড়া তার কাছে সুপারিশ করবে? মানুষের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে তা তিনি অবগত। তিনি যা ইচ্ছা করেন তদ্ব্যতীত তার জ্ঞানের কিছুই তারা (সৃষ্টি) আয়ত্ত্ব করতে পারে না। তার ‘কুরসি’ আকাশ ও পৃথিবীময় পরিব্যাপ্ত। এদের রক্ষণাবেক্ষণ তাকে বিন্দুমাত্রও ক্লান্ত করে না। আর তিনি মহান শ্রেষ্ঠ।’ (সূরা : বাকারা, আয়াত : ৫৫)।

অমুখাপেক্ষী হিসাবে আল্লাহ। ‘বলুন, তিনিই আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয়। তিনি কারও মুখাপেক্ষী নন, (বরং সবাই তার মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকে জন্ম দেননি আবার কারও থেকে জন্মও নেননি। তার সমতুল্য কেউ নেই।’ (সূরা : ইখলাস, আয়াত : ১-৪)।

সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয়-ক্ষমতা আর প্রতিপত্তির যথোপযুক্ত ব্যবহারের মাঝে মানুষের ভারসাম্য, ন্যায়, ইনসাফ করা অপরিহার্য। নতুবা মহান রব তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করেন দুনিয়া ও আখিরাতে। মহান রব আমাদের ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনাকারীদের অধীনে বসবাস করার তাওফিক দান করুন, আমিন!

আল্লাহ

Motishon · 8 months ago

আল্লাহ প্রার্থনাকারীকে পছন্দ করেন

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে আদম সন্তান! তুমি যত দিন পর্যন্ত আমার কাছে দোয়া করতে থাকবে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে, আমি তত দিন তোমার গুনাহ মাফ করতে থাকব, তুমি যা-ই করে থাকো আমি সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করব না। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহ যদি আকাশের উচ্চতা পর্যন্তও পৌঁছে যায়, অতঃপর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, তবু আমি তোমাকে ক্ষমা করব, আমি সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করব না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আমার কাছে আসো এবং আমার সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক না করে থাকো, তাহলে আমিও সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার কাছে আসব।’

(সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৪০)

Motishon · 8 months ago

আসসালামু আলাইকুম, শুভ রাত্রি

 কখনো মনে হয় না, রাতটা যেন আমাদের একটু ভালোবাসে? তার নিস্তব্ধতায় একটা অদ্ভুত শান্তি থাকে। সেই শান্তিটা যেন তোমার ঘুমে ঢুকে পড়ে। শুভ রাত্রি।
Views 495.9K Likes 5.4K Dislikes Comments 6
Josh Fawaz - Topic · 4 days ago
Like a Prayer
Provided to YouTube by DistroKid

Like a Prayer · Josh Fawaz

Like a Prayer

℗ Josh Fawaz

Released on: 2026-06-29

Auto-generated by YouTube.
Josh Fawaz - Topic · 4 days ago
Published on 2026-06-29 13:08:10

  •  
    
    
    27504
    Blogger Files Members Messages
    Tips
    Login
    HELP CENTER :-: GO TO TOP
    tips.wapka.site
    Copyright © 2026 All Rights Reserved
    Powered by wapka.org